শামসুল আলম,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ভিন্নধর্মী চিন্তার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি চিলারং ইউনিয়নের ভেলাজান,আখানগর বাজার ও বুড়ির বাঁধ এলাকার চায়ের দোকানে রঙিন টেলিভিশন কিংবা ক্যারাম বোর্ডের আড্ডা, সেখানেই এবার নতুন সংযোজন, অঙ্কের সূত্র।ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খাইরুল ইসলামের প্রত্যাশা এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা একদিন বড় পরিবর্তনের সূচনা করবে।
উদ্দেশ্য কিশোর বয়সের ছেলেমেয়েরা যেন আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে শেখার সুযোগ পায়।এছাড়া বিভিন্ন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বিলি করছেন গণিতের সূত্র। ইউএনও খাইরুল ইসলাম বলেন, মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে অনেক সময় খেলার মাঠে কিংবা চায়ের দোকানে অনেক সময় কিশোররা দীর্ঘ সময় কাটায়। আমি ভাবলাম, যদি এই সময়টুকু একটু কাজে লাগানো যায়, তাহলে শিক্ষার বিস্তারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে এ জন্যই সামান কিছু করা ।
দোকানগুলোর দেয়ালে সাঁটানো হচ্ছে সাধারণ গণিতের সূত্র, যা প্রতিদিন চোখে পড়বে দোকানে বসা কিশোরদের। ধাপে ধাপে পুরো উপজেলায় চলবে এই কার্যক্রম। ঠাকুরগাঁও সদরের ভেলাজান উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শেণীর ছাত্র মোঃ বায়জিদ, রহমান,আরিফ হেসেন, হাবিবা আক্তার সহ অনেক শিক্ষার্থী জানান, ইউএনও সারের মত কোন কোন দিন কাউকে এভাবে দেখিনি শিক্ষার্থীদের নিয়ে চিন্তা করার,পড়ালেখার আগ্রহ বাড়াতে গণিতের সূত্র বিলি করতে ।আসলে ক্ষুদ্র হলেও উনার মহতি উদ্যেগ প্রশংশা পওয়ার।
এছাড়া,জানা যায় যে এ উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি অসহায়,দুস্থ ও মেধাবীদের পাশে দাড়িয়েছেন,বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন,শিক্ষার মান উন্নয়ন ও মাদকের থেকে দুরে থাকতে সকলকে সচেতন করেন। জনসেবার পাশাপাশি অবৈধ কারবারিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধও ঘোষণা করছেন, বিভিন্ন অনিয়ম কারিদের নিয়মিত সাজাও দিচ্ছেন ও জরিবানাও করছেন।
এছাড়া কাজ করেছেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভাষা সংরক্ষণ ও জীবনমান উন্নয়নে।কাজ করছেন জলাবদ্ধতা নিরসনও মৎস্য নিধনে। ধ্বংস করছেন অবৈধ মাদক ও মাছ ধরার অবৈধ জাল।