ঠাকুরগাঁওয়ে বিএমডিএ’র সেচ ব্যবস্থার সুফল পাচ্ছে কৃষক
শামসুল আলম, ঠাকুরগাঁও:: উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা ঠাকুরগাঁও। জেলায় তেমন বড় কোন শিল্পকারখানা না থাকায় কৃষিকাজই এ অঞ্চলের কৃষকের একমাত্র আশা ভরসা। ঠাকুরগাঁও উচুঁ ও খরাপ্রবণ জেলা।আবাদি জমিতে সেচ সুবিধা ব্যতিত বিভিন্ন মৌসুমে ধান,গম,ডাল,পাট,ভুট্টা,আলু ও বিভিন্ন সবজির ভালো ফলন ফলানো অসম্ভব।তাই স্বল্পমূল্যে কৃষকদের মাঝে সরকারি ভাবে সেচ সুবিধা দিতে জেলায় অধিক পরিমানে নতুন গভীর নলকুপ ও সোলার সেচ পাম্প স্থাপন এবং স্থাপিত বিদ্যুৎ চালিত গভীর নলক’পগুলোকে সোলারে রুপান্তর মাধ্যমে আধুনিকায়ন করলে ধান,গম,পাট,ভুট্টা আলু ও সবজি সহ বিভিন্ন ্ফসল উৎপাদন বহুগুনে বাড়বে এবং জেলার কৃষকরা ও দেশ অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হবে।এরই ধাধারাবহিকতায় কৃষকের মাঝে স্বল্পমূল্যে সেচ সুবিধা দিয়ে নিরলস ভাবে মাঠে কাজ করে চলেছে ঠাকুরগাঁও বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কতৃপক্ষ (বিএমডিএ)।

জানা যায় যে,ঠাকুরগাঁওয়ে ৫টি উপজেলায় মোট ১৫৪৩ গভীর নলকূপগুলো লিফট পাম্প (এলএলপি) সোলার ও বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্পের সাহায্যে স্বল্প খরচে সবজি সহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে লাভবান হচ্ছে জেলার কৃষকগন। এতে একদিকে কৃষকের সেচ খরচ অনেক কমছে এবং পানির অপচয় রোধ হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কতৃপক্ষ (ব্এিমডিএ) এসব গভীর নলকূপও সেচ পাম্প স্থাপন করেছে। এরই মধ্যে ওই জমিতে ইরি-বোরো ধান ,ভুট্টা গম সহ সারা বছর বিভিন্ন সবজি করলা,ফুলকপি,বাধাকপি,ঢেরস,আলু,কচ,বেগুন, মূলা আবাদ করে সুফল পাচ্ছেন কৃষক। কৃষিপণ্য উৎপাদন ব্যয় হ্রাস সহ সেচ কার্যক্রমে ডিজেল কিংবা বিদ্যুৎ বিল থেকেও রেহাই পাচ্ছেন চাষীরা। প্রতি একরে নামে মাত্র সেচ খরচে সেচ সুবিধা মিলছে বলে ব্এিমডিএ কর্তৃপক্ষ জানায়।
যা জেলার জন্য পর্যাপ্ত নয়।কৃষকদের মতে এই সেচ সুবিধা আরো বাড়ানো দরকার। জানা যায় যে ঠাকুরগাঁও সদরসহ অন্য উপজেলায় চালুকৃত গভীর নলক’পগুলো স্থাপিত বিদ্যুৎ চালিত । যা অনেক সময় অতিরিক্ত লোড সেডিং এর কারনে গভীর নলক’পগুলোকে সোলারে রুপান্তর , সেচনালা সম্প্রসারণের ও আধুনিকায়নের দাবি কৃষকের ।
ঠাকুরগাঁও বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কতৃপক্ষের (ব্এিমডিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী ড.মো: এজাদুল ইসলাম জানান। ঠাকুরগাঁও জেলায় ব্এিমডিএ’র ১৫৪৩ টি সেচযন্ত্রের সাহেয্যে স্বল্প খরচে বোরো ধান,গম,পাট,ভুট্টা আলু ও সবজি সহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন ও সেচসুবিধার পাশাপাশি ভূ-’্উপরিস্থ বিভিন্ন নদীর পানি ব্যবহার করতে পারছেন কৃষক। এতে ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙ্গন,লাচ্ছি ও নাগর নদী ও খালের পানি ব্যবহার করে প্রায় চার হাজার একর জমি সেচ সুবিধার আওতায় এসেছে। ফলে ফসল উৎপাদন খরচ কমছে।
তিনি আরোও জানান, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কতৃপক্ষ (ব্এিমডিএ)ও সকল সেচ যন্ত্র বিদ্যুতের পাশাপাশি যদি সোলারে রপান্তর করা হয় সকারের ডিজেল খরচ কমবে এবং ২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভেলাজান গ্রামের কৃষক মোঃ বাবুল হেসেন জানান,আমরা ব্এিমডিএ এর গভীর নলক’পের সাহায্যে স¦ল্প খরচে পানির অপচয রোধ করে ধান গম,পাট ভুট্টা,আলু ও সবজি আবাদে লাভবান হচ্ছি।এতে আমাদের সেচ খরচ অনেক কম হচ্ছে । আমার মতে যে সব এলাকায় এই গভীর নলকূপ আছে এই গভীর নলকূপ গুলোকে বিদ্যুতের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ লিত সোলারে রুপান্তর যায় এবং ,সেচনালা সম্প্রসারন করলে কৃষকরা কৃষকরা সল্পমূল্যে বেশি জমিতে সেচ দিতে পারবে কৃষকরা আরো বেশি উপকৃত হবে ফসল উৎপাদন বহুগুন বাড়বে।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর গ্রামের কৃষক মোঃ বদিরুল ইসলাম জানান, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে বিএমডিএর গভীরনলক’পগুলো মন্ত্রী মিজা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহযোগীতায় প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছিল এতে জেলার কৃষকরা অনেক উপকৃত হয়েছিল। তার পর থেকে তেমন আর কাজ হচ্চে না।আমরা বিএমডিএ এর গভীর নলক’পের সাহায্যে স¦ল্প খরচে পানির অপচয রোধ করে ধান গম, ভুট্টা,আলু ও সবজি আবাদে লাভবান হচ্ছি।এতে আমাদের সেচ খরচ অনেক কম হচ্ছে । আমার মতে বর্তমানে বিএনপির সরকার ক্ষমতায় তাই যে সব এলাকায় এই গভীর নলক’প আছে এই গভীর নলক’প গুলোর সেচনালা সম্প্রসারন ও গভীর নলক’পগুলোকে বিদ্যুতের পাশাপাশি সোলারে রুপান্তর করলে কৃষকরা কৃষকরা স¦ল্পমূল্যে বেশি জমিতে সেচ দিতে পারবে কৃষককরা উপকৃত হবে।
তাছাড়া সেখানে গভীর নলক’প নেই সেখানে সরকারি ভাবে সোলার সেচ পাম্প স্থাপন ও স্খাপিত গভীর নলক’পগুলোকে আরো আধুনিকায়ন করলে কৃষকরা আরো বেশি উপকৃত হবে ফসল উৎপাদন বহুগুন বাড়বে।
ঠাকুরগাঁও বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কতৃপক্ষের (ব্এিমডিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী ড.মো: এজাদুল ইসলাম জানান। ঠাকুরগাঁও জেলায় ব্এিমডিএ’র ১৫৪৩ টি সেচযন্ত্রের সাহেয্যে স্বল্প খরচে বোরো ধান,গম,পাট,ভুট্টা আলু ও সবজি সহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন ও সেচসুবিধার পাশাপাশি ভূ-উপরিস্থ বিভিন্ন নদীর পানি ব্যবহার করতে পারছেন কৃষক। এতে ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙ্গন,লাচ্ছি ও নাগর নদী ও খালের পানি ব্যবহার করে প্রায় চার হাজার একর জমি সেচ সুবিধার আওতায় এসেছে। ফলে ফসল উৎপাদন খরচ কমছে।
তিনি আরোও জানান, কৃষকের আবেদনের পেক্ষিতে,যদি বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কতৃপক্ষ (ব্এিমডিএ)ও সকল সেচ যন্ত্র বিদ্যুতের পাশাপাশি যদি সোলারে রপান্তর করা হয় সকারের ডিজেল খরচ কমবে এবং ২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ শমসের আলী জনান, বিএমডিএর গভীর নলকূপের সাহায্যে স্বল্প খরচে ফসল উৎপাদন ও সেচসুবিধার পাশাপাশি ভূ-’উপরিস্থ বিভিন্ন নদীর পানি ব্যবহার করে এর সুফল পাচ্চে কৃষক। তবে এসকল গভীর নলকূপ আরো আধুনিকায়নের চেষ্টা চলছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মাজেদুল ইসলাম জানান, বরেন্দ্র বহুমুখীর উদ্ভাবন করা প্রিপেইড কার্ড কৃষি প্রধান এ জেলার কৃষকদের এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। এলএলপি সোলার ও গভীরনলকূপ গুলো বিদ্যুতের পাশাপাশি সোলারে হলে কৃষক ফসল উৎপাদনে আরো এগিয়ে যাবে।