আইয়ুব আলী ময়মনসিংহ:: মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের পরিচালক (এডভোকেসি) তাসকিন ফাহমিনা বলেছেন, যদি কারো এরকম টেনডেন্সি থাকে যে মানবাধিকার লংঘন করবে মানুষকে পুড়িয়ে দিবে কথা বলতে দিবে না, কথা বললে তাকে গুম করা হবে। নির্যাতন করা হবে এধরনের বিষয়গুলো যদি থাকে তাহলে এধরনের মানবাধিকার লঙঘন বন্ধ করা যাবে না। এজন্য রাজনৈতিকদলের একটিপলিটিক্যাল উইল ও সরকারের স্বদিচ্ছা থাকতে হবে । তিনি আজ দুপুর ময়মনসিংহে “নির্যাতন, নির্যাতন বিরোধী সনদ ও ঐচ্ছিক প্রটোকল” বিষয়ে এক আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন। আলোচনাসভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন কারা কর্তৃপক্ষ আইনজীবি, সাংবাদিক এনজিওকর্মী তথ্য কর্মকর্তা ও ছাত্র গোম ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা অংশ গ্রহন করেন । আলোচনাসভায় বিগত সরকারের সময় গুমের শিকার মুক্তাগাছার কৃষক গোলাম মোস্তফা, যুবদল নেতা ওবায়দুর রহমান টুটুল ও ময়মনসিংহে বৈষম্যবিরোধি আন্দোলনের সক্রিয় শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান তারেক তাদেরকে গুম করার পর নির্যাতনের ভীতিকর অবস্থা তুলে ধরেন । আলোচকরা বক্তারা বলেন, সরকারি বেআইনী আদেশ পালন না করা এবং রাজণীতির প্রভাবমুক্ত থেকে সবাই যদি নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে নিষ্ঠার সাথে পালন করেন তা হলেই গুম নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব। আলোচনা সভায় কয়েকজন সরকারী কর্মকর্তা তাদের বক্তব্যের সময় তা রেকর্ড না করার জন্য অনুরোধ করেন এবং অধিকারের পরিচালক তাদের সাথে একমত পোষন করে বক্তব্য দেওয়ায় সাংবাদিকরা তাদের তাদের বক্তব্য রেকর্ড করা থেকে বিরত থাকেন ।
অনুষ্ঠানে যারা বক্তব্য দিয়েছেওন তারা হলেন, কারা উপমহাপরিদর্শক মো কবীরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্ব্বিক)রেজা মো গোলাম, মাসুম, জিপি মো আজাহারুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরোয়ার্দী হোসেন, জাতিয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের প্রফেসর মনিরুল আলম, জাতিয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের সভাপতি মো নুরুল হক, জেলা আইনরজীবি সমিতির সদস্য সচীব সাদ উদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম মাহবুবুল আলম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর কামরুল হাসান মিলন, মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী পোফেসর মো শহীদুল্লাহ কায়সার বক্তব্য রাখেন ।













