আইয়ুব আলী, ময়মনসিংহ :: বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খান জাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে নিহত শিশু ফাতিমার (৮) পরিবারকে ঢেউটিন ও নগত সহায়তা দিয়েছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো সাইফুর রহমান। আজ দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শিশুর মা ফজিলা খাতুনের (৪০) হাতে সহায়তা উপকরন ও নগত টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো সাইফুর রহমানের পক্ষে উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উম্মে হাবিবা মীরা সহায়তা উপকরন নগত টাকা তুলে দেন ।
এসময় ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো আরিফুল ইসলামসহ কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন। এসময় উম্মে হাবীবা মীরা ফাতিমার মামা হারেজ আলির বরাত দিয়ে বলেন, নিহত ফাতিমার বাড়ি সদর উপজেলার চর খরিচা গ্রামে। বাইশ বছর আগে একই গ্রামের ফাতিমার বাবা মমরোজ আলির সাথে ফজিলা খাতুনের বিয়ে হয়। পারিবারিক বিরোধে স্বামী-স্ত্রী ছাড়াছাড়ি হলে দুই মেয়েসহ ফজিলা খাতুন ভাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন ।
মামার বাড়ি থেকেই তিন বছর আগে মা সহ হারিয়ে যায় ফাতিমা। ফাতিমার মামা হারেজ আলী বলেন, বিয়ের পর আমার বোনের মাথায় একটু সমষ্যা দেখা দিলে তার স্বামী বোনকে ছেড়ে চলে যায়। তিন বছর আগে এক বিকেলে হারিয়ে যায় তার বোনসহ ফাতিমা। তাদের আর খুজে পাওয়া যায়নি। তার ভাগ্নিকে বাগেরহাটের পুকুরে কুমিরে টেনে নেওয়ার পর ভাইরাল খবরে তাদের চিনতে পরে সেখানে হারেজ আলি। পত্রিকার খবরে বিষয়টি জানার পর ফাতিমার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন। আজ দুপুরে তাদের হাতে জেলা প্রশাসকের সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া পরিবারটিকে কিভাবে স্থায়ী আরও কোন সহায়তা চেইনের আওতায় আনা যায় কিনা বিষয়টি নিয়ে ভাবছে জেলা প্রশাসন।
হারেজ আলি বলেন, মমরোজ আলী–ফজিলা খাতুন দম্পতির চার ছেলে মেয়ে। কুমিরের আক্রমণে নিহত ফাতিমা ছিল সবার ছোট। ফাতিমার দুই ভাই বজলুর(১৪) ও মোস্তাকিম (১২)থাকেন বাবা মমরেজ আলির সাথে। বড় বোন মোসলিমা খাতুন (২২) থাকেন স্বামীর বাড়িতে।















